মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
আমার এমপি

তথ্যসূত্র ও পদ্ধতি

এই সাইটের প্রতিটি তথ্য কোথা থেকে আসে, কত দিন পরপর হালনাগাদ হয় আর কীভাবে যাচাই হয়। সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

কোন তথ্য কোথা থেকে

সাইটে যা আছে তার প্রায় সবটাই সরকারি ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি পড়া। যেটুকু অন্য সূত্র থেকে, সেটা এখানে আর সংশ্লিষ্ট পাতায়, দুই জায়গাতেই লেখা।

সদস্যের নাম, ছবি, আসন, দল, জন্মতারিখ, পেশা, দাপ্তরিক ইমেইল
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ (parliament.gov.bd ↗), সংসদের সদস্য তালিকা থেকে
প্রতিদিন পড়া হয়; সর্বশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
সংসদীয় কমিটি, অধিবেশন, বৈঠক, সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ, কমিটির কাজের বিবরণ কার্যপ্রণালী বিধি ↗ থেকে
যে কমিটির তালিকা সংসদের তথ্যভান্ডারে এখনো আগের সংসদের, তার পুরোনো সদস্যদের বর্তমান বলে দেখানো হয় না; পাতায় তা লেখা থাকে।
নিবন্ধিত ভোটার ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ecs.gov.bd ↗)
কমিশনের প্রকাশিত হিসাব, পড়া হয়েছে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
মন্ত্রিসভা: মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও মন্ত্রণালয়
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (cabinet.gov.bd ↗)
বিভাগের প্রকাশিত তালিকা থেকে; দায়িত্ব পাওয়ার তারিখসহ।
২০২৬ সালের নির্বাচনে আসনভিত্তিক ভোটের ফল
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (tbsnews.net ↗) ও উইকিপিডিয়া
নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে এখনো মেলানো হয়নি; প্রতিটি ফলের নিচে তা লেখা থাকে। মেলানো হলে সেখানেই জানানো হবে।
জীবনী, শিক্ষা, জন্মস্থান, দলের ইতিহাস
বাংলা ও ইংরেজি উইকিপিডিয়া (bn.wikipedia.org ↗, en.wikipedia.org ↗) এবং প্রকাশিত সংবাদ
প্রতিটি জীবনীর নিচে তার নিজস্ব সূত্রের লিংক থাকে। যাঁর সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য সূত্র নেই, তাঁর পাতায় ওই তথ্য ফাঁকা থাকে, অনুমান করে লেখা হয় না।
সদস্যের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট
সদস্যের নিজের ওয়েবসাইট, দলের ওয়েবসাইট, সরকারি পাতা বা সংবাদমাধ্যম, যেখানে পেজটিকে তাঁর বলে উল্লেখ করা হয়েছে
স্বাধীন সূত্রে নিশ্চিত হলে "অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ" লেখা থাকে। শুধু পেজের নিজের দাবি বা নামের মিল থাকলে লিংক দেখানো হয় "যাচাই করা হয়নি" লেবেলসহ। একাধিক পেজের মধ্যে কোনটি আসল বোঝা না গেলে কোনো লিংক দেওয়া হয় না।
সংবাদ ও ভিডিও
৪২টি অনুমোদিত সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত শিরোনাম, সদস্যের নাম মিলিয়ে যুক্ত
সাইট শুধু শিরোনাম, সংবাদমাধ্যমের নাম আর মূল লিংক রাখে; নিজে কোনো সংবাদ লেখে না, লেখাও কপি করে না। একই নামের অন্য কারও খবর ভুলে যুক্ত হলে জানালে সরানো হয়।

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। সংসদের ওয়েবসাইটে নতুন সদস্যের তথ্য, প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন প্রকাশ হলে পরদিনের মধ্যে এখানে দেখা যায়। সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

কোনো সদস্য পদত্যাগ করলে বা আসন শূন্য হলে সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তা পাতায় লেখা হয়; উপনির্বাচনে নতুন সদস্য এলে সংসদের তালিকায় ওঠার পর তিনি এখানে আসেন।

কীভাবে যাচাই হয়

প্রতিটি পাতায় তথ্যের সূত্র লেখা থাকে, যেখানে সম্ভব মূল নথি বা পাতার লিংকসহ। দুটি সূত্রে তথ্য না মিললে বা কোনো সূত্রে না থাকলে তথ্যটি বাদ রাখা হয়; কোনো সংখ্যা, নাম বা তারিখ অনুমান করে বসানো হয় না।

সরকারি সূত্র (সংসদ, নির্বাচন কমিশন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ) সরাসরি দেখানো হয়। অন্য সূত্রের তথ্য, যেমন ভোটের ফল বা জীবনী, আলাদাভাবে চিহ্নিত থাকে, আর যাচাইয়ের অবস্থা (গেজেটের সঙ্গে মেলানো হয়েছে কি না, পেজ যাচাইকৃত কি না) পাতাতেই লেখা।

ভুল পেলে বা কোনো সদস্যের দপ্তর নিজের পাতা হালনাগাদ করাতে চাইলে যোগাযোগ পাতায় দেখুন কী পাঠাতে হবে; সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়।

যা এই সাইটে রাখা হয় না

  • সদস্যদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর বা বাসার ঠিকানা, সংসদের তথ্যভান্ডারে থাকলেও।
  • কোনো সদস্য, দল বা সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে মতামত বা মূল্যায়ন।
  • যে তথ্যের কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি।

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →